1. admin@dailyfulbariasangbad.com : admin :
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পেট্রোলের দোকানের আগুন নেভালো ফায়ার সার্ভিস উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত নির্বাচনে সুযোগ নিতে চান ফুলবাড়িয়ার যুবলীগ নেতা রাকিব প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত-স্বচ্ছ।। জনবান্ধব করতে রাত-দিন কাজ করছেন ময়মনসিংহের ডিসি জাগ্রত আছিম গ্রন্থাগার এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে ভুল বানানের ছড়াছড়ি, বাদ যায়নি বাংলা একাডেমিও ময়মনসিংহে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ট্রেনের যাত্রী নিহত শহীদ মিনারের স্থপতিকে কেউ স্মরণ করেনি ময়মনসিংহে সন্ত্রাসী ‘পুইট্টা রাজুকে’ কুপিয়ে হত্যা জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মন্ডা ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে হেরোইন ও ইয়াবাসহ চারজন গ্রেফতার

ফুলবাড়িয়ায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোনো শহীদ মিনার

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৬৮ বার পঠিত

মোঃ সাবিউদ্দিন: মাতৃভাষা আন্দোলনের এতো বছর পাড় হলেও ফুলবাড়িয়া উপজেলার, ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনো নির্মাণ হয়নি কোনো শহীদ মিনার।

এর ফলে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও ভাষা শহীদদের সম্পর্কে ধারণা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। আর যেসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার আছে তা বছরের পর বছর পড়ে থাকে অযত্ন আর অবহেলায়।

আর যেসব প্রতিষ্ঠানে একবারেই নেই শহীদ মিনার সে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করে শুধুমাত্র জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এতো বছরেও এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি বলে মনে করেন সুধী সমাজ।

জানা গেছে, ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, কলেজ, মহিলা কলেজ ও ডিগ্রী কলেজ সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে ভাষা আন্দোলনের প্রতীক শহীদ মিনার থাকলেও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই কোন শহীদ মিনার। ফলে ঐ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় শুধুমাত্র জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।

এ কারণে ঐ সব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বঞ্চিত থাকে। এনিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। আর যেসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার আছে, তারমধ্যে কিছু শহীদ মিনার তা বছরের পর বছর পড়ে থাকে অযত্ন আর অবহেলায়। এসব শহীদ মিনারে কখনো গবাদি পশুর বিচরণ আবার কখনো বখাটেদের আড্ডাস্থলে পরিণত হতে দেখা যায়।

ফুলবাড়িয়া উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগন গণমাধ্যমকে বলেন, স্বাধীনতার এতো বছরেও ফুলবাড়িয়ার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকা সত্যিই দুঃখ জনক। শিক্ষর্থীদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি সম্মান-ভালোবাসা জন্ম দেয়া, ভাষা-সংস্কৃতির জন্য আত্মোৎসর্গ করা, শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা, তাদের দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে শহীদ মিনার একটা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সেই জন্যই প্রত্যেক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকা জরুরি।

কমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানতে এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করা জরুরি। শহীদ মিনার নির্মাণ এবং আগামী প্রজন্মকে শহীদ মিনারের গুরুত্ব, তাৎপর্য জানানো খুবই জরুরি।

এটাও লক্ষণীয় যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে শহীদ মিনারগুলো রয়েছে, সেগুলো ২১ ফেব্রুয়ারিসহ বিশেষ কয়েকটি দিন ছাড়া সারা বছর থাকে অবহেলা ও দৈন্যদশায়। আমরা মনে করি, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ভাষা দিবসের গুরুত্ব ও যথার্থতা জানাতে ফুলবাড়িয়া উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপনের পাশাপাশি স্থাপিত শহীদ মিনার গুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া জরুরি।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক ফুলবাড়ীয়া সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!